রোমান্টিক প্রেমের গল্প-ভালবাসি অনামিকা তুমাকে

 bangla true sad love story

আজ অনেক দিন পর মামা বাড়ি যাচ্ছি।প্রায় ৮ বছর পর।অবশ্য আমার যাওয়ার তেমন ইচ্ছা নেই।মা-ই জোর করে পাঠিয়ে দিল।ও হে আমি রোহান।বাবা-মায়ের একমাত্র bangla true sad love story
আদরের পুত্র।ইন্টার পরীক্ষা শেষ তাই একটু গুরাগুরি।আমার বাবা একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির এম ডি আর মা গৃহিণী।ট্রেন থেকে নেমে একটা ভ্যান নিয়ে চলে গেলাম
মামাদের গ্রাম।মামার বড়ির সামনে নামতেই হই হই কান্ড।সবাই যেন আমার অপেক্ষায় ছিল।সাদরে নিয়ে গেল বাড়ির ভিতর।অনেক খাতির যত্ন হল,তাক সেসব কথা।আসার
পর থেকে দেখতেছি দুইটা মেয়ে আমাকে বেশ উকিঝুকি মারছে।আর আরেক টা মেয়ে একটু দূরে দূরে আড় চোখে দেখছে।হুম চিনতে পারছি।অই দুইটা আমার ছোট মামার
মেয়ে লিজা,লিফা।আর দূরের টা আমার বড় মামার মেয়ে অনামিকা।অনেক আগে দেখছিলাম,তখন সবাই অনেক ছোট ছিল।অনামিকা ১১ এ পড়ে।আর অই যমজ দুইটা
৯ এ।যাইহোক মামাদের গ্রাম অনেক গুরাপিরা করলাম।সন্ধ্যায় এসে একটু ক্লান্তি লাগছিল তাই রূমে গেলাম একটু ফ্রেশ হতে।যেই রুমে ঢুকলাম অমনি কে যেন দূড়ে বাহির
হতে গিয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পেলে আমার উপর হূমড়ি খেয়ে পরল।চিৎকার দিয়ে উঠলাম।অমনি একটা হাত আমার মূখের উপর এসে পড়ল আর বল্ল চুপ চুপ।আমি চুপ
হয়ে গেলাম।যাক বাবা কোন জিন ভুত নয়।বুঝতে পারলাম অনামিকা।অনামিকা আমার মুখে হাত এখনো আমার উপর শুয়ে আছে।আমি হাত ছাড়িয়ে বললাম কি হচ্ছে
এসব?অনামিকাঃকি হচ্ছে?আমিঃআমার রুমে কি করছিলে আর এখন আমার উপর শুয়ে আছো কেন?এই কথা বলতে লজ্জা পেয়ে একলাফে উঠে দূড় দিল।যাক একটা মেয়ের
সংস্পর্শে এসে আমিও একটু হারিয়ে গেছিলাম মোহতায়।ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম উপপ! নানা খাবারের আয়োজনে আর পিঠার গ্রাণে মৌ মৌ করতেছে।খাবারে পর মামা মামিদের
সাথে গল্প করলাম কিছুক্ষন,এদিকে লিজা আর লিফা আমার পিছুয় ছারছেনা।একটা না একটা লেগেই আছে।মাঝে মাঝে এটা ওঠা জিজ্ঞেস করে।আর লিফা মেয়েটা একটু বেশিই
গায়ে পরে কথা বলে।নাহ মথলব ভালো ঠিকছেনা।রাতের খাবার খাওয়ার পর ঘুমাতে গেলাম।কিছুক্ষন পর কেন যেন ঘুম ভেঙ্গে গেল।চোখ খুলতেই দেখলাম আর অনূভব করলাম আমার বুকের উপর কে যেন শুয়ে আছে।চিৎকার দিয়ে ভূত ভূত করে উঠলাম।মামা-মামি,অনামিকা,লিজা সবাই উপরে চলে এল এক চিৎকারে।লাইট জ্বালাতেই দেখলাম লিফা।
ছোট মামাঃলিফা তুমি এখানে কি করো।লিফাঃউনার সাথে গল্প করতে আসছিলাম এই বলে মাথা নিচু করে রইল।বর মামিঃরোহান বাবা তুমি চিৎকার দিলে কেন?আমিঃআমার বুকের
উপর ভারি কি যেন শুয়ে ছিল,মনে হয় স্বপ্নে দেখেছি।অনামিকা লিফার তাকিয়ে দাত কড়মড় করছে।ছোট মামি দূষ্টুমি করেঃমনে হয় মেয়ে ভূত না হলে বুকে শুয়ে থাকবে কেন?
এই বলে মূচকি মূচকি হাসতে লাগল আমার দুই মামি।মামা দমক দিয়ে তামিয়ে দিল।বড় মামাঃআচ্ছা ঠিক আছে সবাই ঘুমাতে যাও ভূত কালকে দরতেছি।এই বলে চলে গেল।
সবশেষে অনামিকা যাচ্ছিল আর আমার দিকে কি রকম যানি তাকাচ্ছিল।পরদিন সকালে নাস্তা করে উঠতেই বড় মাম বল্লঃরোহান অনামিকাকে একটু কলেজ দিয়ে এসেতো।ওদের
কলেজে নাকি কি ফাংশন আছে যেতে হবে।আমিঃঠিক আছে মামা।দরজার আড়ালে অনামিকা খুশি হয়ে মুখে হাসির রেখা।হূঠ করে রেড়ি হয়ে চলে এল।একি দেখছি আমি,কোন
অপসরা কি মাঠিতে নেমে এসেছে।নাকি কোন পরীর পাকা ভেঙ্গে পরে গেছে।নাহ এতক্ষন তো খেয়াল করিনায়।মারাত্বক সৌন্দর মেয়েটা।কি হলো চলুন।অনামিকার কথায়
হূশ পিরল আমার।এতক্ষন হারিয়ে গেছিলাম অনামিকার মাঝে।তাহলে আমি কি অনামিকাকে ভালবেসে পেলেছি।আমিঃহুম চলো।ছোট মামার বাইক নিয়ে বেরিয়ে গেলাম।
পিছনে অনামিকা আলতো করে আমার কাদে হাত দিয়ে বসে আছে।কলেজ এসেগেলাম।কিন্তু অনামিকা নামল না।আমাকে একটা জায়গার কথা বলে ওখানে নিয়ে গেল।
একটা লেকের পাড়।দারূন জায়গাটা।অনামিকা একমনে লেকের দিকে চেয়ে আছে।বুঝলাম কলেজে কোন ফাংশন নেই।আমার সাথে একান্ত কথা বলতে চায়।ওকি আমাকে
ভালবেসে পেলেছে।নাহ আমি মামা মামির কছে অপরাধী হতে পারবনা।ভালো লাগলেও ভালবাসতে পারব না ওকে।অনামিকার কাছে গিয়ে বল্লামঃকিছু বলবে আমাকে?হঠাৎ
পিছে পিরে আমাকে জড়িয়ে দরল।বুঝলাম কাদছে।ছাড়াতে গিয়েও ছাড়াতে পারলাম না।কাদতে কাদতে বলতে লাগলঃনা রোহান তুমাকে শুধু আজ ভালবাসছিনা ভালবাসি সেই
৮ বছর আগে থেকে।তুমার কি আমাকে মনে নেই?আমিঃতাকে ছারিয়ে দেখ অনামিকা এগুলো ছোট বেলার আবেগ আর কিছুনা।অনামিকাঃসেটা তুমার কাছে হতে পারে রোহান
আমার কাছে না।ভালবাসি তুমাকে জীবনের থেকেও বেশি ।আর ৮ বছরের বেশি সময় দরে লালন করে আসছি সেই ভালবাসা আমার বুকে।প্লিজ পিরিয়ে দিওনা।আমি কি করব ভেবে
পাচ্ছিনা।চলে আসলাম ওখান থেকে।মামা বাড়ি ঢুকে রুমে গিয়ে বসে বসে ভাবতে লাগলাম।কিছু ভাললাগছেনা।ওর ভালবাসা পিরিয়ে দেয়া কি ঠিক হচ্ছে।আমিও তো ওকে ভালবাসি।
না মাথা কাজ দিচ্ছেনা।হঠাৎ অনামিকা রুমে ঢুকল।অনামিকাঃএতক্ষন অনামিকার শান্ত রূপ দেখেছো ,খুব ভাল করেই যানো আমি চাইলে কি করতে পারি।আমি ভয় পেয়ে গেলাম।
কারণ ছোট পেলায় পুরায় পাগল ছিল।আমার কাছে কেউ গেসতে পার তোনা।অই পাগলামি গুলো আবার মাথা ছাড়া দিয়ে উঠলে কি হবে কে জানে।আমিঃঅনামিকা দেখ মামা মামির
দিকে দেখে আমাদের কিছু বলতে দিলোনা,মূখ চেপে দরে কাছে আসছে ।একদম কাছে এসে হঠাৎ পাগলের মতো আমার ঠোঠের ভিতর ঠোঠ ঢুকিয়ে দিল।এমন ভাবে চেপে দরেছে
ছারাতে পারছিনা।প্রায় টানা ২ মিনিট পর ছারল।হাপাতে লাগলাম আমি।অনামিকাঃআমার ভালবাসা আমি আদায় করে ছাড়বো।এই বলে চলে গেল।কি মেয়েরে বাবা।যা ভেবেছিলাম
তাই আগের পাগলামি গুলো মাথা ছাড়া দিয়েছে পাগলীর।রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলাম।সকালে উঠে অনূভব করলাম আমার বুকের উপর কে জানি নিঃশ্বাস নিচ্ছে।চোখ খুলে
দেখলাম অনামিকা আমার বুকের উপর আরাম করে ঘুমাচ্ছে।আমি তখনি ছারাতে চাইলাম।কিন্তু কোথায় যেন বাধা,ওর প্রতি দূর্বলতার কারনে পারলাম না।সকালের মিষ্টি আলোতে
অসম্ভব মায়াবতী লাগছে।ইচ্চা করছে একটু চুয়ে দিই।নাহ তাতেও বাধা তুলে দিলাম ওকে।ঘুম ঘুম চোখে অনামিকাঃকি হলো আরেকটু ঘুমায়।কি করছ এসব অনামিকা(আমি)।আমার
ভালবাসা আদায় করে নিচ্ছি।আমিঃপ্লিজ এরকম পাগলামি করোনা।অনামিকাঃএগুলো আমার পাগলামী না রোহান আমার ভালবাসা।আমিঃতুমি যদি এরকম কর তাহলে আজকেই আমি
শহরে পিরে যাব।এই বলে চলে এলাম নিচে।সারাদিন অনামিকাকে আর দেখলাম না।বিকেলে ঘুরতে বের হলাম লিজা আর লিফা কে নিয়ে।সন্ধ্যায় যখন পিরলাম দেখলাম বাড়িতে কেঊ
নেই।কাজের বোয়া জানালো অনামিকার নাই হাত কেটে গেছে।সবাই তাকে নিয়ে হাসপাতালে গেছে।লিজা আর লিফাকে রেখে চলে গেলাম bangla true sad love story গ্রামের হাসপাতালে।গিয়ে দেখলাম
তেমন বড় কোন ক্ষতির হাত বেচে গেচে।আমাকে দেখে মুখ পিরিয়ে নিল অনামিকা।সবাই আমার দিকে কেমন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।বুঝলাম অনামিকার হাত কেটে যায়নি
ও নিজেই কেটেছে।ছোট মামি কাগজ একটা হাতে পড়তেছে আর মুচকি মুচকি হাসতেছে।পড়ে আমাকে দিল।আমাকে নিয়ে লেখা।আমার প্রতি ভালবাসার গভীরতা বাচ্চার মতো
কূটিয়ে কূটিয়ে লিখেছে।সবাই বেরিয়ে গেল।বড় মামাঃদেখ রোহান আমি জানিনা তুমি আমার মেয়েকে ভালবাসো কিনা,তবে অনামিকা আমার একমাত্র মেয়ে অকে কষ্ট দিওনা
প্লিজ।মামা একি বলছ আমিও অকে ভালবাসি শুধু আপনাদের দিকে চেয়ে্‌~~~~~বড় মামাঃতাক আর কিছু বলতে হবেনা আমি আজকেই আমার বোনের সাথে কথা বলতেছি।
এই বলে মামাও বেরিয়ে গেল।আমি গিয়ে অনামিকার কাছে গেলাম।এখনো মূখ পিরিয়ে আছে।আমিঃঅনামিকা ~অনামিকা,ভালবাসি অনামিকা তুমাকে।এই কথা বলতেই পিরে
আমার কাছে উঠতে চাইল। bangla true sad love story পারলোনা,সারাদিন না খেয়ে থাকা এবং রক্ত খরনের ফলে উঠে বসার শক্তি হারিয়ে পেলেছে।দুই দিকে দুই হাত দিয়ে পিঠের মধ্যে তুলে নিলাম বুকে।আমার বুকে মাথা
গুজে আবার অশ্রুধারিত করল।আমিঃভালবাসি তুমাকে যেওয়ানা কখনো ছেরে সোনা আমার পাগলী আমার।মুখটা আরেকটু ভিতরে ঢুকিয়ে দিল আদরে।
হইছে সিন শেষ,আপনারা বসে আসেন কেন?নাকি বিয়ের পর আমাদের ফুলসয্যা দেখার ইচ্ছা আছে?

এই রকম গল্প আরো পড়ুন-click here

You may also like...

1 Response

  1. আপনরা বেশ কয়েকটি পোষ্ট পরলাম বেশ ভালো হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *